২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনের মর্যাদার বিপ্লব ও প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচের ক্ষমতাচ্যুতির প্রেক্ষাপটে অচিহ্নিত রুশ সৈন্যরা ক্রিমিয়ান উপদ্বীপে মোতায়েন হয়ে সরকারি ভবন, বিমানবন্দর ও সামরিক স্থাপনাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং উপদ্বীপটিকে কার্যত অবরুদ্ধ করে। রাশিয়াপন্থী একটি স্থানীয় সরকার গঠন করা হয় এবং দখলদারিত্বের মধ্যেই ১৬ মার্চ ২০১৪ একটি বিতর্কিত গণভোট অনুষ্ঠিত হয়, যার ফলাফলের ভিত্তিতে রাশিয়া ১৮ মার্চ ক্রিমিয়াকে সংযুক্ত করে এবং সেভাস্তোপলকে ফেডারেল শহর ঘোষণা করে। ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অধিকাংশ দেশ এ পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন ও ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে অবৈধ ঘোষণা করে। পরবর্তীতে রাশিয়া ক্রিমিয়ায় নিজেদের সেনা উপস্থিতি স্বীকার করে এবং নিরাপত্তাজনিত যুক্তি দেখালেও ইউক্রেন বুদাপেস্ট স্মারকলিপিসহ আন্তর্জাতিক চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ তোলে। ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার ইউক্রেন আক্রমণের পর ক্রিমিয়া রুশ সামরিক অভিযানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, আর ইউক্রেন অঞ্চলটি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করে আসছে।
২০১৪ সালে রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল করে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more